কিভাবে ব্লগিং করে আয় করবেন? - Blogger

কিভাবে ব্লগিং করে আয় করবেন?

কিভাবে ব্লগিং করে আয় করবেন?

বর্তমানে অনলাইনে আয় এর সবচাইতে সহজ একটি মাধ্যম হচ্ছে ব্লগিং করে ইনকাম করা এবং আপনি এটি খুব সহজেই আয়ত্ত্ব করতে পারবেন। আমার ধারণা বলে খুব বেশি হলে আপনি তিন থেকে চার মাসের মধ্যে একটা ভালো পরিমাণ অ্যামাউন্ট পকেট এ তুলতে পারবেন শুধুমাত্র ব্লগিংয়ের মাধ্যমে।

অনেকেই শখের বশে ব্লগিং করা শুরু করলেও একপর্যায়ে সেটি তার একমাত্র প্যাসিভ ইনকাম এর অন্যতম পন্থা হয়ে দাঁড়ায়। আমরা এই পোস্টে ব্লগিং করে আয় এর পাঁচটি মাধ্যম আপনাদের সামনে তুলে ধরবো এবং আশা করি আপনারা সেটি থেকে অনেক উপকৃত হবেন।

কিভাবে ব্লগিং করে আয় করবেন

 

  • ১. গুগল এডসেন্স :

বর্তমান সময়ে সবচাইতে জনপ্রিয় একটি হচ্ছে গুগল এডসেন্স এর মাধ্যমে ইনকাম করা। গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে আপনি ব্লগিং করে খুব সহজেই ইনকাম করতে পারেন যার জন্য আপনার প্রয়োজন একটি ওয়েবসাইট এবং এসইও সম্বন্ধে কিছুটা ধারণা। ব্লগিং বা গুগল অ্যাডসেন্স আপনি যেকোন ভাষার মাধ্যমেই করতে পারেন কারণ বর্তমানে গুগোল পৃথিবীর সব ভাষায় বুঝে। আপনি যেকোন ধরনের নিউজ পেপার ওয়েবসাইট অথবা ব্লগিং সাইট তৈরীর মাধ্যমে এই কাজটি খুব সহজে শুরু করতে পারে। এক্ষেত্রে আপনার সর্বোচ্চ এক থেকে দেড় হাজার টাকা খরচ পড়বে এক বছরের জন্য এবং আপনি তিন থেকে চার মাসের মধ্যেই খুব সহজে গুগল এডসেন্স এর মাধ্যমে ভালো পরিমাণে ইনকাম করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে কিওয়ার্ড রিসার্চ করে নিতে হবে এবং কনটেন্ট রাইটিং সম্বন্ধে ধারণা রাখতে হবে।

 

 

২. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং :

অনলাইনে প্যাসিভ ইনকাম এর জন্য সবচাইতে জনপ্রিয় একটি মাধ্যম হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর অনেক রকম ধাপ রয়েছে তার মধ্যে ফেসবুক-টুইটার লিনকেদিন ইউটিউব আরো অনেক ধরনের জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আপনি মার্কেটিং করতে পারেন। তবে বড় বড় অ্যাফিলিয়েট মার্কেটাররা আপনার এসব সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট ব্যবহার করে। সুতরাং একজন ভাল অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হতে গেলে আপনাকে ওয়েবসাইট ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং সম্বন্ধে ভালো ধারণা রাখতে হবে।

অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটপ্লেস বর্তমান বিশ্বের সবচাইতে বড় মার্কেটপ্লেস অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য 

 

৩. কন্টেন্ট রাইটিং

অনলাইনে আয়ের আরেকটি অন্যতম উৎস হচ্ছে কনটেন্ট রাইটিং করে। আপনি বিভিন্ন নিউজপেপার এবং নিজের ব্লগ তৈরি করে অথবা বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট সেল করে আয় করতে পারেন। তার জন্য আপনাকে অবশ্যই বিভিন্ন ধরনের ব্লগ পড়তে হবে এবং কনটেন্ট কিভাবে গুগোল ফ্রেন্ডলি করে সে সম্বন্ধে আপনাকে সুন্দর ধারণা রাখতে হবে। তবে অবশ্যই মনে রাখতে হবে এফেলিয়েট মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে কনটেন্ট হবে ন্যূনতম 1000 ওয়ার্ড এবং ব্লগিং এর জন্য নূন্যতম 300 ওয়ার্ড।

 

৪. ড্রপ শিপিং ব্যবসা করে :

বর্তমান অনলাইন ব্যবসার ক্ষেত্রে একটি চাহিদাপূর্ণ অন্যতম ব্যবসা হচ্ছে ড্রপ শিপিং ব্যবসা এবং এর জন্য অবশ্যই আপনার একটি ড্রপ শিপিং ওয়েবসাইটের প্রয়োজন। আপনি অবশ্যই কনটেন্ট রাইটিং এর মাধ্যমে একটি ড্রপ শিপিং ব্যবসা অনায়াসে সুন্দরভাবে চালিয়ে যেতে পারেন অবশ্য তার জন্য আপনার কিছু পরিমাণ ইনভেস্টের দরকার রয়েছে কারণ কোন ব্যবসা ইনভেস্ট ছাড়া হয় না.।

 

৫. গেস্ট পোস্ট এর মাধ্যমে :

অফ পেজ এসইও ক্ষেত্রে একটি অন্যতম ধাপ হচ্ছে গেস্ট পোস্ট এবং এর মাধ্যমে আপনি অনেক পরিমাণ অর্থ ইনকাম করতে পারেন অনলাইন থেকে।আপনি বিভিন্ন অ্যাফিলিয়েট সাইটে এবং অন্যের সাইটে গেস্ট পোস্ট এর মাধ্যমে ভালো পরিমাণ অর্থ ইনকাম করতে হবে পারবেন। তবে এর জন্য আপনাকে ভালো পরিমাণে ব্লগিং করা জানতে হবে অবশ্যই।

sagar
 

Click Here to Leave a Comment Below 0 comments

Leave a Reply: