Earn Money From Online
Earn Money From Online

অনলাইন ইনকামের আদ্যোপান্ত(Earn Money From Online)

 

আমরা সবাই চাই সুন্দর একটা ক্যারিয়ার গঠন করতে সেটা হোক অনলাইনে বা অফলাইনে | কেউ হয়তো ফ্রিল্যান্সিং (Earn Money From Online)করে ক্যারিয়ার গঠন করতে চায় আবার কেউ হয়তো আউটসোর্সিং করে ক্যারিয়ার গঠন করতে চাই এমনকি অনেকের প্যাসিভ ইনকাম এর মাধ্যমেও ক্যারিয়ার গঠন করে ভালোভাবে | আর অফলাইন বলতে আমরা সাধারণত চাকরি বা ব্যবসা কে বুঝি|

 

অফলাইন মানে কি চাকরি বা ব্যবসা?

 

 অনেকেই অফলাইনে তার ক্যারিয়ার গঠন করতে চাই সুন্দর একটি চাকরি করার মাধ্যমে আবার কেউ হয়তো চাই ভালো ব্যবসা করে তার ক্যারিয়ার গঠন করতে | কিন্তু একটা জিনিস লক্ষ্য করে দেখবেন যে প্রত্যেকটা প্রতিষ্ঠান এমনকি আপনি যেখানে চাকরি করেন এবং আপনি যেটাকে নিয়ে ব্যবসা করেন তার প্রসার কিন্তু বর্তমানে অনলাইনের মাধ্যমেই হচ্ছে | সুতরাং অফলাইন মানেই যে শুধুমাত্র চাকরি বা ব্যবসা কথাটা আসলে ঠিক না | আপনি আপনার ক্যারিয়ার চাকরি বা ব্যবসা যেটার মাধ্যমে প্রচার করতে চান না কেন আপনাকে অনলাইন সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখতে হবে অন্যথায় আপনি অন্যদের থেকে একধাপ পিছিয়ে পড়বেন |

 

 অনলাইন ইনকামের প্রধান 10 টি উপায় 

 

 আমরা হয়তো অনেকেই অনলাইন মানে শুধুমাত্র ফেসবুকেই বুঝে থাকি কিন্তু ব্যাপারটা আসলে তেমন না | আবার আমরা   অনেকেই ভাবি যে শুধুমাত্র মোবাইল দিয়ে আমি প্রফেশনাল লেভেলের একজন   ফ্রিল্যান্সিং করব অথবা আউটসোর্সিং করব |   কিন্তু আপনি মোবাইল দিয়ে কখনই কোন ধরনের প্রফেশনাল লেভেলের কাজ করতে পারবেন না | সুতরাং সেই ক্ষেত্রে আপনার  একটি কম্পিউটার অবশ্যই থাকতে হবে | এই পোস্টে আমরা অনলাইন ইনকামের প্রধান 10 টি উপায় নিয়ে আলোচনা করব:

  1. ডিজিটাল মার্কেটিং: বর্তমানে অনলাইন সেক্টরের সবচাইতে চাহিদাসম্পন্ন কাজ হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং | কারণ প্রত্যেক  প্রতিষ্ঠানের প্রসার ঘটানোর জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং এর কোন বিকল্প নেই | আপনি আগে যেখানে বাসা ভাড়া নেওয়ার জন্য বিভিন্ন টুলেট বা দেয়ালে দেয়ালে পোস্টার টাঙানো দেখতেন কিন্তু বর্তমানে আমরা সবাই অনলাইনে সেই কাজটি করে থাকি | কারণ আমরা সময় এবং শ্রম দুইটাই বাঁচাতে চাই এবং এই জন্যই ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে | বর্তমান প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ এখনো ডিজিটাল মার্কেটিং সেক্টরে খুব বেশি উন্নতিসাধন করতে পারিনি কিন্তু এখনই সময় যারা ডিজিটাল মার্কেটিং ভালোভাবে রপ্ত করতে পারবে আগামী কয়েক বছর পর তারাই বিভিন্ন কোম্পানির অথবা নিজের ব্যবসার ব্যাপক প্রসার ঘটাতে পারবে |

 

         ডিজিটাল মার্কেটিং করার জন্য হাই কনফিগারেশন কম্পিউটার এর প্রয়োজন হয় না এবং এই ক্ষেত্রে আমি আপনাকে                 সাজেস্ট করব যাতে মিনিমাম   আই থ্রি  প্রসেসর এর কম্পিউটার ব্যবহার করবেন এবং যদি আপনার সামর্থ্য থাকে                         তাহলে জেনারেশনটা একটু আপডেট করে নেবেন  |Facebook Boosting

 

2.অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং: বর্তমানে প্যাসিভ ইনকাম এর চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং তার প্রথম শ্রেণিতে রয়েছে অ্যাফিলিয়েট বা সিপিএ মার্কেটিং | কারণ আপনাকে  অ্যাফিলিয়েট অথবা সিপিএ মার্কেটিং এর  জন্য খুব বেশি পরিশ্রম করা লাগেনা | এই সেক্টরে কাজ শুরুর আগে আপনাকে মিনিমাম এক বছর থেকে দেড় বছর সময় হাতে করে নিতে হবে এবং এই সময়টায় আপনি কাজে মনোনিবেশ করবেন | অনলাইন সেক্টরে ইনকামের প্রথম শর্ত হচ্ছে কাজ না শিখে ইনকামের চিন্তা মাথায় না  আনা | সুতরাং আপনি চাইলে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুধুমাত্র একটি ওয়েবসাইট তৈরি করার মাধ্যমে শুরু করতে পারেন এবং আপনার ওয়েবসাইটটি যতদিন যাবে ততো ব্র্যান্ডে পরিণত হবে | প্যাসিভ ইনকাম এর জন্য একটা সময় দেখবেন আপনার এই ওয়েব সাইটটি আপনার সম্পদে পরিণত হয়েছে |

 

 অ্যাফিলিয়েট বা সিপিএ মার্কেটিং করার জন্য মিনিমাম i3 প্রসেসর এর কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন এবং জেনারেশন যত ভালো হবে আপনি কাজ করতে ততো বেশি  আরাম পাবেন |

 

  1. গুগল এডসেন্স: বর্তমানে গুগল তার সবচাইতে যে সেক্টরে আপনার আমার মত কর্মীদের টাকা দিয়ে থাকে সেই সেটটা হচ্ছে গুগল এডসেন্স এবং একটা রিসার্চ দেখা গেছে গুগল যেই পরিমান তার কর্মীদের দিয়ে থাকে  তার 68 শতাংশ টাকা গুগল দিয়ে থাকে তার গুগল অ্যাডসেন্স সেক্টরে | শুধুমাত্র একটি নিউজ পেপার অথবা ব্লগ সাইট তৈরি করে আপনি কাজটি শুরু করতে পারেন এবং এই ক্ষেত্রে আপনাকে মনে রাখতে হবে গুগোল কিন্তু কোন ই-কমার্স সাইটে অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভ করে না|Google adsense

 আপনি যদি প্রাথমিক পর্যায়ে এডসেন্স এর কাজ শুরু করতে চান সে ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই আমি বলব যে আপনি ওয়ার্ডপ্রেস এর মাধ্যমে কাজটি শুরু করতে পারেন |

 

 গুগল এডসেন্স(Earn Money From Online )এর কাজ করার জন্য আপনার তেমন কোন ভারী কনফিগারেশন কম্পিউটারের দরকার হয় না শুধুমাত্র টুকিটাকি ব্রাউজার এবং কিছু এক্সটেনশন ব্যবহার করার জন্য একটু ভালো জেনারেশনের কম্পিউটার ইউজ করলেই হবে | আপনি সে ক্ষেত্রে dual-core কম্পিউটার ইউজ করতে পারেন তবে জানো জেনারেশন একটু ভালো হয় | 

 

4.ওয়ার্ডপ্রেস কাস্টমাইজেশন: বর্তমানে দিনদিন ওয়ার্ডপ্রেস এর চাহিদা বেড়েই চলেছে  | কারণ ওয়েব ডিজাইনের সবচাইতে বেশি কাজ ওয়ার্ডপ্রেস থেকে পাওয়া যায় | আপনি যদি অনলাইন সেক্টরে নতুন হয়ে থাকেন এবং ওয়েব ডিজাইন সেক্টরে আপনার ইচ্ছা থাকে সে ক্ষেত্রে আপনি অবশ্যই ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে শুরু করতে পারেন কারন এটি একটি সহজ এবং চাহিদাপূর্ণ  সেক্টর | ওয়ার্ডপ্রেসের মাধ্যমে আপনি ব্লগসাইট নিউজ পেপার সাইড ই কমার্স সাইট অথবা যে কোন কোম্পানির সাইট  ইত্যাদি বিভিন্ন সাইট তৈরি করে আপনি লোকাল এবং ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটপ্লেসে ভালো ধরনের রেভিনিউ ইনকাম করতে পারেন |

Acer Laptop

 

 ওয়ার্ডপ্রেস কাস্টমাইজেশন এর জন্য আপনার মিনিমাম আই থ্রি প্রসেসর এর কম্পিউটার এবং একটু ভাল জেনারেশনের যেমন করতে জেনারেশন যেন মিনিমাম হয়ে থাকে |

 

  1. গ্রাফিক্স ডিজাইন: আপনার যদি বিভিন্ন ধরনের ডিজাইন করতে ইচ্ছা হয় এবং ডিজাইন ভিত্তিক ক্যারিয়ার তৈরি করতে চান তাহলে সে ক্ষেত্রে গ্রাফিক্স ডিজাইন হবে আপনার অন্যতম সেরা পছন্দের মধ্যে একটি | বর্তমানে আপনি যেমন লোগো ডিজাইন ব্যানার ডিজাইন ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের ডিজাইনের মাধ্যমে আপনি আপনার অনলাইন সেক্টরের যাত্রা শুরু করতে পারেন |  গ্রাফিক্স ডিজাইন পরিপূর্ণ ভাবে শিখতে হলে আপনাকে অবশ্যই ফটোশপ এবং ইলাস্ট্রেটর সফটওয়্যার সম্বন্ধে পূর্ণ ধারণা রাখতে হবে এবং অবশ্যই আপনার ডিজাইনটা যেন অন্যদের থেকে ভিন্ন হয় সেদিকেও নজর রাখতে হবে | আপনি যখন অন্যদের থেকে একটা ভালো ডিজাইন ক্লায়েন্টকে দিবেন তখনই আপনার কাজটা সার্থক হবে কারণ অন্যের ডিজাইন কপি করে আপনি বেশিদূর অনলাইন সেক্টরে যেতে পারবেন না|Blog

 

 গ্রাফিক্স ডিজাইন করতে হলে আপনাকে একটু ভালো পরিমাণ এর কনফিগারেশন কম্পিউটার ব্যবহার করতে হবে এবং এই ক্ষেত্রে করবো মিনিমাম  আই ফাইভ এর কম্পিউটার আপনি ব্যবহার করেন | কারণ গ্রাফিক্স ডিজাইন করতে হলে আপনাকে বেশ ভারী কিছু সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে |

 

 

6.এস ই ও: বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিং এর সবচাইতে চাহিদাপূর্ণ কাজটি হচ্ছে এসইও  অথবা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন | যেকোনো ধরনের ওয়েবসাইট কে গুগোল এ ভালো পরিমাণে  রেঙ্ক করাতে হলে  সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর কোন বিকল্প নাই | সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর প্রধান একটি বিষয় হচ্ছে কিওয়ার্ড রিসার্চ এবং আপনি যত ভালোভাবে কী-ওয়ার্ড রিসার্চ করতে পারবেন আপনি তথ্য বড় এসইও এক্সপার্ট হতে পারবেন | আপনি যত বড় এসইও এক্সপার্ট হতে পারবেন আপনি আপনার সাইট অথবা আপনার ক্লায়েন্টের সাইট ততো সুন্দরভাবে এবং ভালোভাবে গুগলে করাতে পারবেন | আপনি যদি মনে করেন এসইও সেক্টরে আপনার ক্যারিয়ার গঠন করবেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই রিসার্চ করার মনোভাব রাখতে হবে কারণ রিসার্চ করা ছাড়া এই সেক্টরে উন্নতি করতে পারবেন না |KeywordResearch

 

 এসইও করতে চাইলে আপনাকে আমি সাজেস্ট করব মিনিমাম আই থ্রি প্রসেসর এর কম্পিউটার ব্যবহার করেন এবং যত বেশি জেনারেশন ভালো ভাবে আপডেট করতে পারবেন আপনি তো ভালোভাবে কাজটি সম্পন্ন করতে পারবেন |

 

  1. আর্টিকেল রাইটার: আপনি যদি একজন আর্টিকেল রাইটার হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার গঠন করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই বিভিন্ন ধরনের ব্লগ পড়ার অভ্যাস থাকতে হবে অথবা গঠন করে ফেলতে হবে | কারণ আপনি যত বেশি অন্যদের আর্টিক্যাল পড়বেন আপনি ততবেশি সেই বিষয়টা সম্পর্কে আপনি জানতে পারবেন এবং লিখতে পারবেন | একজন আর্টিকেল রাইটার হতে হলে আপনাকে অবশ্যই গুগল ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল সম্বন্ধে ধারণা থাকতে হবে | কারণ বর্তমানে গুগোল আগের থেকে অনেক স্মার্ট এবং সব ধরনের আর্টিকেল রেঙ্ক করায় না | আপনাকে আর্টিকেল লিখতে হলে ভালোভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে হবে এবং বিভিন্ন ধরনের কী-ওয়ার্ড রিসার্চ এর টুলস সম্বন্ধে আইডিয়া থাকতে হবে যাতে করে আপনি আপনার লেখাটা করাতে পারেন |Article writing

 

 এক্ষেত্রে আপনার তেমন বেশি হাই কনফিগারেশন কম্পিউটারের প্রয়োজন পড়ে না আপনি শুধুমাত্র ডুয়েল কোর এর একটি কম্পিউটার জিও কাজটি শুরু করতে পারবেন |

 

  1. ইউটিউবার হিসেবে: আপনি যদি একজন ইউটিউবার হিসেবে আপনার ক্যারিয়ার গঠন করতে চান সে ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে ভালোভাবে ভিডিও এডিটিং সম্বন্ধে আইডিয়া থাকতে হবে এবং ভিডিও এডিটিং জানতে হবে | অথবা একজন ভিডিও এডিটর কে হায়ার করতে হবে কারণ যেমন তেমন ভিডিও বর্তমানে ইউটিউব   রেঙ্ক করাতে চাই না | ইউটিউবার হিসেবে ক্যারিয়ার গঠন করতে চাইলে আপনি যদি শুধুমাত্র এডসেন্স নির্ভর হয়ে থাকেন তাহলে আপনার একটি ভাল কম্পিউটার একটি ভালো মোবাইল কেউ চাইলে শুরু করতে পারেন | আর আপনি যদি নিজে ভিডিও তৈরি করে বা   ব্লগ করে ক্যারিয়ার তৈরি করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই ভালো ধরনের ক্যামেরা ব্যবহার করতে হবে এবং সেই ক্ষেত্রে আপনাকে বেশ কিছু ইনভেস্টমেন্ট এর প্রয়োজন পড়বে |Youtube Video Boost

 

 আপনি যদি নিজে ভিডিও এডিটিং করে ইউটিউবিং করতে চান সেই ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই কোর আই ফাইভ এর কম্পিউটার ব্যবহার করতে হবে কারণ ভিডিও এডিটিং করা সফটওয়্যার গুলা অনেক ভারী হয়ে থাকে |

 

  1. ওয়েব  ডেভেলপমেন্ট: আপনি যদি এবং ভালোভাবে কোডিং করতে পছন্দ করেন তাহলে অবশ্যই আপনার উচিত ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বা ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে ক্যারিয়ার গঠন করা | শুধুমাত্র কোডিং না জানার কারণে অনেকে ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে ক্যারিয়ার গঠন করতে পারে না | সে ক্ষেত্রে যে আপনাকে আগে থেকেই কোডিং জেনে আসতে হবে ব্যাপারটা তেমন না আপনি শুধুমাত্র ইউটিউব গুগলের সাহায্য নিলেই বিভিন্ন ধরনের কঠিন সম্বন্ধে ধারণা পেয়ে যাবেন এবং একজন ভালো ওয়েব ডেভেলপার হয়ে উঠতে আপনাকে মিনিমাম এক থেকে দুই বছর সময় লাগবে |

 

 ওয়েব ডেভেলপমেন্ট করার জন্য আপনার মিনিমাম আই থ্রি প্রসেসর এর কম্পিউটার ব্যবহার করা লাগবে |

 

  1. এন্ড্রয়েড এপস ডেভেলপমেন্ট: বর্তমানে এন্ড্রয়েড এপস  এর চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং যতই দিন যাচ্ছে নতুন নতুন বিভিন্ন ধরনের অ্যাপস তৈরি হচ্ছে | আপনি যদি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস ডেভেলপার হিসেবে ক্যারিয়ার গঠন করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই কোডিং সম্পর্কে জানতে হবে | তবে অনেকেই কোডিং ভাবে যে শুধুমাত্র ইঞ্জিনিয়ারিং স্টুডেন্ট ছাড়া অন্যরা করতে পারে না আসলে ব্যাপারটা তেমন নয় এমন অনেক ডেভলপার রয়েছে যারা ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাকগ্রাউন্ডের ছাত্র বা ছাত্রী নয় |

 

 অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস ডেভেলপার হিসেবে ক্যারিয়ার গঠন করতে গেলে আপনাকে কোডিং ছাড়াও একটি ভালো কনফিগারেশনের কম্পিউটার ব্যবহার করতে হবে এবং যেন সেটির জেনারেশন অবশ্যই ভালো হয় |

 

 আশা করি এই পোস্ট( Earn Money From Online) থেকে আপনি একটা ভাল ধারণা পেয়েছেন এবং আপনি হয়তো( Earn Money From Online) পোস্টটি পড়ে বুঝতে পারবেন আপনি কোন ধরনের কাজ করতে  আগ্রহী |তাছাড়া আপনি জানতে পারছেন যে কোন কাজটি করার জন্য কেমন ধরনের কম্পিউটার আপনার প্রয়োজন হবে | তাছাড়া সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টা সেটি হচ্ছে অধ্যাবসায় এবং  ধৈর্যশীল না হতে পারলে অনলাইন সেক্টর আপনার জন্য না এবং আপনি যত বেশি ধরে সময় সহকারে কাজ ভালোভাবে শিখবেন আপনি এই ততবেশি উন্নতি করতে পারবেন | ধন্যবাদ