Facebook Marketing Archives - Blogger

Tag Archive

Tag Archives for " Facebook Marketing "

How To Earn From Facebook part-6 Updated System

ফেসবুক অ্যাডভান্স মার্কেটিং

 

 আমরা হয়তো অনেকেই ভাবি ফেসবুকে শুধুমাত্র পেজ তৈরি করা, পোস্ট তৈরি করা, পেজ প্রমোট করা, পেজে লাইট নিয়ে আসা, পোস্ট বুস্ট করা ইত্যাদি যে কাজগুলো করে থাকি এটাই ফেসবুক মার্কেটিং | 

 

ফেসবুক মার্কেটিং সেক্টর টা আসলে অনেক বিস্তৃত এবং অনেকেই এটার সুফল জানেনা | আপনি চাইলেই নিজের মতো করে নিজের ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান অথবা অন্যের ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানকে ফেসবুক এডভান্স মার্কেটিং এর মাধ্যমে অন্যের সামনে তুলে ধরতে পারেন | আমরা এই পোস্টে আলোচনা করব কিভাবে ফেসবুক এডভান্স মার্কেটিং আমরা করতে পারি এবং আমাদের কি কি লাগবে | 

 

ফেসবুক বিজনেস একাউন্ট  ফর অ্যাডভান্স ফেসবুক মার্কেটিং

 

 আপনাকে ফেসবুকে এডভান্স মার্কেটিং করতে হলে অবশ্যই একটি ফেসবুকের বিজনেস একাউন্ট থাকা লাগবে এবং আপনি এই ক্ষেত্রে একাধিক ফেসবুক বিজনেস একাউন্ট তৈরি করতে পারেন |

 কারণ অনেক সময় দেখা যায় যে আমাদের কোন একটা সমস্যার কারণে ফেসবুকের অ্যাকাউন্টটা নষ্ট হয়ে যেতে পারে অথবা ফেসবুকের এডভান্স মার্কেটিংয়ের জন্য বিজনেস অ্যাকাউন্ট টা নষ্ট হয়ে যেতে পারে | সে ক্ষেত্রে আপনি অবশ্যই একাধিক ফেসবুক অ্যাকাউন্ট অথবা অ্যাডভান্স ফেসবুক মার্কেটিং এর জন্য ফেসবুকের বিজনেস একাউন্ট তৈরি করতে পারেন |

 

 কি কি কাজ করতে পারবেন এবং কিভাবে 

 

 ফেসবুকে এডভান্স মার্কেটিং এর একটি অন্যতম হচ্ছে ফেসবুকের  জন্য পিক্সেল তৈরি করা | 

পিক্সেল এ কাজ করার জন্য আপনাকে অবশ্যই একটি ওয়েবসাইট থাকা বাধ্যতামূলক কারণ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনি বিজ্ঞপ্তি ভেরিফাইড করতে পারবেন |

 

সেই ক্ষেত্রে যদি আপনি নিজের ফেসবুক পেজ পিক্সেল এর মাধ্যমে ভেরিফাইড করতে চান সেক্ষেত্রে আপনার নিজস্ব ওয়েবসাইটে দরকার হবে আর যদি আপনি আপনার ক্লায়েন্ট অথবা বাইরের কাজ করেন সেক্ষেত্রে বায়ার আপনাকে তার ওয়েবসাইটে যাবতীয় তথ্যাদি আপনাকে দিবে | সুতরাং ওয়েবসাইট নিয়ে চিন্তা করাটা খুব একটা বেশি জরুরী না কারণ কাজটি পারলে আপনি ক্লায়েন্টের কাছ থেকে ওয়েবসাইটটি নিয়েও কাজটি করতে |

 

 অ্যাডভান্স ফেসবুক মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে আপনাকে বিশেষ কিছু দিকে খেয়াল রাখতে হবে এবং ধারণা থাকতে হবে | এখানে আপনি একাধিক পেজ অ্যাড করতে পারবেন কিন্তু ফ্রিতে কোন ধরনের কোন পোস্ট করতে পারবেন না | অ্যাডভান্স ফেসবুক মার্কেটিং পলিসিটা টোটাল পেইড মার্কেটিং |

 

 যারা বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে ফেসবুকের মাধ্যমে অথবা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে থাকেন তাদের জন্য ফেসবুক  পেইড মার্কেটিং সবচাইতে নির্ভরযোগ্য একটি মাধ্যম |

 

 ফাইবার মার্কেটপ্লেস অ্যাডভান্স ফেসবুক মার্কেটিং এর কাজ পাওয়া কারণ আমরা মূলত কাজ করে থাকি বাইরের দেশের বিশেষ বিশেষ করে আমেরিকা অথবা কানাডা ইউকে এসব দেশকে নিয়ে এবং তারা মূলত ফ্রি মার্কেটিং থেকে পেইড মার্কেটিং এ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে |

 ফ্রি মার্কেটিং এবং মার্কেটিং এর আপনি খুব সহজেই বুঝতে পারবেন | ফেসবুক কর্তৃপক্ষ কখনই আপনাকে ফ্রিতে কিন্তু ফেসবুক চালাতে দিচ্ছে না কারণ আপনি ফেসবুক চালাতে হলে আপনাকে অবশ্যই মেগাবাইট খরচ করতে হচ্ছে এবং এক্ষেত্রে ফেসবুক কোম্পানি আপনার কাছ থেকে টাকা নিচ্ছে| সুতরাং একটা জিনিস মনে রাখবেন পৃথিবীতে সকল কাজের পেছনেই কোন না কোন উদ্দেশ্য থাকে এবং ফেসবুক কোম্পানির একটি উদ্দেশ্য হচ্ছে এখান থেকে অর্থাৎ আমাদের মত ফেসবুক ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া |

 

 ফ্রি মার্কেটিং এ আপনি প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে কিন্তু পেইড মার্কেটিং অ্যাডভান্স ফেসবুক মার্কেটিং এ আপনাকে কোন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে না কারণ আপনি ফেসবুকে টাকা দিয়ে আপনার প্রোডাক্ট অথবা আপনার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান প্রচার করছে এবং প্রচারের দায়িত্ব নিচ্ছে স্বয়ং ফেসবুক কোম্পানি নিজে | সুতরাং এ থেকে বুঝতেই পারছেন যে ফেসবুকে পেইড মার্কেটিং এ কতটা ভালোভাবে ফল পাওয়া যায় |

 

এডভান্স ফেসবুক মার্কেটিং এ আপনাকে কিছু জিনিস বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে এবং সেটা হচ্ছে আপনার টার্গেটেড কাস্টমার |আপনি যদি আপনার ক্লায়েন্ট বা বায়ারের কাজ করে থাকেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই ক্লায়েন্টের কোম্পানি সম্পর্কে এবং প্রোডাক্ট সম্পর্কে ভালো ধরনের ধারণা নিয়ে ক্যাম্পেইন টা শুরু করতে হবে | আপনি যদি এই ক্ষেত্রে ভালোভাবে তাকে সার্ভিস টা দিতে পারেন তাহলে পরবর্তীতে ওই বায়ার আপনাকে দিয়ে অনেক কাজ করিয়ে নেবে এইটা আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন | সুতরাং আপনাকে চিন্তা করতে হবে আপনার ক্লায়েন্টের কাস্টমার কারা |

 

 উদাহরণস্বরূপ আমি বলতে পারি আপনি একটা ছোট্ট মেয়েদের জামা বিক্রি করবেন অথবা আপনার ক্লায়েন্ট আপনাকে বলল একটা পেইড ক্যাম্পেইন করে দিতে এবং তার পেজটা হচ্ছে ছোট মেয়েদের জামা নিয়ে | সুতরাং আপনাকে অবশ্যই চিন্তা করতে হবে ছোট্ট মেয়েদের জামা  আপনার কোন ধরনের কাস্টমার কিনতে পারে | এই ক্ষেত্রে আপনি যদি ক্যাম্পেইন করার সময় বয়স দিয়ে রাখেন 16 থেকে 20 বছর তাহলে সেটা আপনার ভুল ক্যাম্পেইন হচ্ছে কারণ সাধারণত ছোট মেয়েদের জামা কাপড় তার বাবা-মা বেশি কিনে|

 

 আবার অনেকে চিন্তা করতে পারেন যে ছোট্ট মেয়েদের জামা কাপড় অনেক বয়স্করাও কিনতে পারে অনলাইন থেকে | হ্যাঁ অবশ্যই কিনতে পারে কিন্তু সেটা আপনাকে অবশ্যই চিন্তা করতে হবে যে সাধারণত মানুষ 45 অথবা 50 অথবা 60 বছরের উপরে যারা থাকে তারা ফেসবুকে অতটাও স্বাচ্ছন্দ্যবোধ ভাবে চালাতে পারে না | সুতরাং এই ক্ষেত্রে আপনার অবশ্যই বয়সের লিমিট অথবা 25 থেকে 40  অথবা 45  হওয়াটা ভালো |

 

 ছোট ছোট বিষয় গুলো আপনাকে অনেক ভালোভাবে চিন্তা করতে হবে এবং ক্যাম্পেইন তৈরি করার আগে আপনাকে ভাবতে হবে যে আপনি আপনার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান অথবা আপনার ক্লায়েন্টের প্রতিষ্ঠান তাদের মাঝে তুলে ধরতে চাচ্ছেন |

 

 ক্যাম্পেইন করার পরে ভালোভাবে রেসপন্স না পেলে পরবর্তীতে আপনি ওই ক্লায়েন্টের আরো অন্য কাজগুলো হারাতে পারেন | 

 

ফেসবুক মার্কেটিং শুরু করার আগে আমরা সবাই একটা ভুল ধারণার মধ্যে থাকে যে আমরা নিজেদের মাস্টারকার্ড অথবা ভিসা কার্ড ছাড়া মার্কেটিং করতে পারবোনা | আসলে বিষয়টা তেমন না বিষয়টা হচ্ছে আপনি যদি কোন ক্লায়েন্টের বা বাইরের কাজ করেন সেক্ষেত্রে আপনার মাস্টার কার্ড এবং ভিসা কার্ড সবকিছু আপনার বায়ার অথবা ক্লায়েন্ট প্রোভাইড করবে | সুতরাং এই ক্ষেত্রে আপনি ফেসবুকে কিভাবে পেমেন্ট দিবেন এটা নিয়ে আপনার বিন্দুমাত্র মাথাব্যথা কোন কারণ নেই | আপনাকে শুধুমাত্র মাথা খাটাতে হবে যে আপনার ক্লায়েন্ট কি ধরনের প্রোডাক্ট তাদের মাঝে বিতরণ করতে চাই এবং তাদের মাঝে তার  বিক্রি বাড়াতে চাই |

 

 যখন ফেসবুক এডভান্স মার্কেটিং এর কাজ করবেন আপনি অবশ্যই দেখে নিবেন যে তার পেজে কোন ধরনের ফেসবুকের চ্যাট বট অথবা এডভান্স মেসেজিং সিস্টেম টা চালু করা আছে কিনা? যদি দেখেন আছে তাহলে ভালো আর যদি দেখেন যে চ্যাট বট চালু করা নাই সে ক্ষেত্রে আপনি তাকে চ্যাটবট এ কাজটা বোঝাবেন এবং আপনি তাকে চ্যাটবট টা তৈরি করে দেবেন বিনিময় আপনি তার থেকে এক্সট্রা পেমেন্ট রাখবেন|

 

 এমন অনেক ধরনের কাজ আছে আপনি ক্লায়েন্টকে শুধুমাত্র বোঝানোর মাধ্যমে একটা কাজ থেকে একাধিক কাজ তৈরি করে ফেলতে পারেন এবং ক্লায়েন্ট যখন দেখবে আপনি কাজে এক্সপার্ট তিনি আপনাকে আরো বেশি বেশি কাজ প্রোভাইড করবে এবং আপনার রেটিং রিভিউ সবকিছুই তিনি বাড়িয়ে দেবে |

 

 আশাকরি পোষ্টের মাধ্যমে আপনি জানতে পেরেছেন যে কিভাবে অ্যাডভান্স ফেসবুক মার্কেটিং এর কাজ গুলো আমরা সম্পন্ন করতে পারি এবং কি ধরনের সাবধানতা অবলম্বন আমাদেরকে করতে হবে যদি আমরা একাধিক কাজ একই ক্লায়েন্টের কাছ থেকে পেতে চাই | আপনাকে অবশ্যই ক্লায়েন্টের সাথে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করার পরেই আপনি তার সকল কাজ সম্পন্ন করবেন কারণ অনেক ক্লায়েন্ট আছে এগুলা জানে কিন্তু পারে না আবার অনেক ক্লায়েন্ট আছে সময়ের অভাবে করে না | আশাকরি পোষ্টটির মাধ্যমে আপনি উপকৃত  হয়েছেন 

Video Tutorial

How To Earn From Facebook Marketing part-5 Updated System

ফেসবুক অ্যাডভান্স মার্কেটিং(Facebook Marketing )

 

 আমরা হয়তো অনেকেই ভাবি ফেসবুকে শুধুমাত্র পেজ তৈরি করা, পোস্ট তৈরি করা, পেজ প্রমোট করা, পেজে লাইট নিয়ে আসা, পোস্ট বুস্ট করা ইত্যাদি যে কাজগুলো করে থাকি এটাই ফেসবুক মার্কেটিং (Facebook Marketing )| 

 

ফেসবুক মার্কেটিং সেক্টর টা আসলে অনেক বিস্তৃত এবং অনেকেই এটার সুফল জানেনা | আপনি চাইলেই নিজের মতো করে নিজের ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান অথবা অন্যের ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানকে ফেসবুক এডভান্স মার্কেটিং এর মাধ্যমে অন্যের সামনে তুলে ধরতে পারেন | আমরা এই পোস্টে আলোচনা করব কিভাবে ফেসবুক এডভান্স মার্কেটিং আমরা করতে পারি এবং আমাদের কি কি লাগবে | 

 

ফেসবুক বিজনেস একাউন্ট  ফর অ্যাডভান্স ফেসবুক মার্কেটিং

 

 আপনাকে ফেসবুকে এডভান্স মার্কেটিং করতে হলে অবশ্যই একটি ফেসবুকের বিজনেস একাউন্ট থাকা লাগবে এবং আপনি এই ক্ষেত্রে একাধিক ফেসবুক বিজনেস একাউন্ট তৈরি করতে পারেন |

 কারণ অনেক সময় দেখা যায় যে আমাদের কোন একটা সমস্যার কারণে ফেসবুকের অ্যাকাউন্টটা নষ্ট হয়ে যেতে পারে অথবা ফেসবুকের এডভান্স মার্কেটিংয়ের জন্য বিজনেস অ্যাকাউন্ট টা নষ্ট হয়ে যেতে পারে | সে ক্ষেত্রে আপনি অবশ্যই একাধিক ফেসবুক অ্যাকাউন্ট অথবা অ্যাডভান্স ফেসবুক মার্কেটিং এর জন্য ফেসবুকের বিজনেস একাউন্ট তৈরি করতে পারেন |

 

 কি কি কাজ করতে পারবেন এবং কিভাবে 

 

 ফেসবুকে এডভান্স মার্কেটিং এর একটি অন্যতম হচ্ছে ফেসবুকের  জন্য পিক্সেল তৈরি করা | 

পিক্সেল এ কাজ করার জন্য আপনাকে অবশ্যই একটি ওয়েবসাইট থাকা বাধ্যতামূলক কারণ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনি বিজ্ঞপ্তি ভেরিফাইড করতে পারবেন |

 

সেই ক্ষেত্রে যদি আপনি নিজের ফেসবুক পেজ পিক্সেল এর মাধ্যমে ভেরিফাইড করতে চান সেক্ষেত্রে আপনার নিজস্ব ওয়েবসাইটে দরকার হবে আর যদি আপনি আপনার ক্লায়েন্ট অথবা বাইরের কাজ করেন সেক্ষেত্রে বায়ার আপনাকে তার ওয়েবসাইটে যাবতীয় তথ্যাদি আপনাকে দিবে | সুতরাং ওয়েবসাইট নিয়ে চিন্তা করাটা খুব একটা বেশি জরুরী না কারণ কাজটি পারলে আপনি ক্লায়েন্টের কাছ থেকে ওয়েবসাইটটি নিয়েও কাজটি করতে |

 

 অ্যাডভান্স ফেসবুক মার্কেটিং(Facebook Marketing ) এর ক্ষেত্রে আপনাকে বিশেষ কিছু দিকে খেয়াল রাখতে হবে এবং ধারণা থাকতে হবে | এখানে আপনি একাধিক পেজ অ্যাড করতে পারবেন কিন্তু ফ্রিতে কোন ধরনের কোন পোস্ট করতে পারবেন না | অ্যাডভান্স ফেসবুক মার্কেটিং পলিসিটা টোটাল পেইড মার্কেটিং |

 

 যারা বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে ফেসবুকের মাধ্যমে অথবা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে থাকেন তাদের জন্য ফেসবুক  পেইড মার্কেটিং সবচাইতে নির্ভরযোগ্য একটি মাধ্যম |

 

 ফাইবার মার্কেটপ্লেস অ্যাডভান্স ফেসবুক মার্কেটিং এর কাজ পাওয়া কারণ আমরা মূলত কাজ করে থাকি বাইরের দেশের বিশেষ বিশেষ করে আমেরিকা অথবা কানাডা ইউকে এসব দেশকে নিয়ে এবং তারা মূলত ফ্রি মার্কেটিং থেকে পেইড মার্কেটিং এ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে |

 ফ্রি মার্কেটিং এবং মার্কেটিং এর আপনি খুব সহজেই বুঝতে পারবেন | ফেসবুক কর্তৃপক্ষ কখনই আপনাকে ফ্রিতে কিন্তু ফেসবুক চালাতে দিচ্ছে না কারণ আপনি ফেসবুক চালাতে হলে আপনাকে অবশ্যই মেগাবাইট খরচ করতে হচ্ছে এবং এক্ষেত্রে ফেসবুক কোম্পানি আপনার কাছ থেকে টাকা নিচ্ছে| সুতরাং একটা জিনিস মনে রাখবেন পৃথিবীতে সকল কাজের পেছনেই কোন না কোন উদ্দেশ্য থাকে এবং ফেসবুক কোম্পানির একটি উদ্দেশ্য হচ্ছে এখান থেকে অর্থাৎ আমাদের মত ফেসবুক ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া |

Facebook marketing

 

 ফ্রি মার্কেটিং এ আপনি প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে কিন্তু পেইড মার্কেটিং অ্যাডভান্স ফেসবুক মার্কেটিং এ আপনাকে কোন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে না কারণ আপনি ফেসবুকে টাকা দিয়ে আপনার প্রোডাক্ট অথবা আপনার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান প্রচার করছে এবং প্রচারের দায়িত্ব নিচ্ছে স্বয়ং ফেসবুক কোম্পানি নিজে | সুতরাং এ থেকে বুঝতেই পারছেন যে ফেসবুকে পেইড মার্কেটিং এ কতটা ভালোভাবে ফল পাওয়া যায় |

 

এডভান্স ফেসবুক মার্কেটিং এ আপনাকে কিছু জিনিস বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে এবং সেটা হচ্ছে আপনার টার্গেটেড কাস্টমার |আপনি যদি আপনার ক্লায়েন্ট বা বায়ারের কাজ করে থাকেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই ক্লায়েন্টের কোম্পানি সম্পর্কে এবং প্রোডাক্ট সম্পর্কে ভালো ধরনের ধারণা নিয়ে ক্যাম্পেইন টা শুরু করতে হবে | আপনি যদি এই ক্ষেত্রে ভালোভাবে তাকে সার্ভিস টা দিতে পারেন তাহলে পরবর্তীতে ওই বায়ার আপনাকে দিয়ে অনেক কাজ করিয়ে নেবে এইটা আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন | সুতরাং আপনাকে চিন্তা করতে হবে আপনার ক্লায়েন্টের কাস্টমার কারা |

 

 উদাহরণস্বরূপ আমি বলতে পারি আপনি একটা ছোট্ট মেয়েদের জামা বিক্রি করবেন অথবা আপনার ক্লায়েন্ট আপনাকে বলল একটা পেইড ক্যাম্পেইন করে দিতে এবং তার পেজটা হচ্ছে ছোট মেয়েদের জামা নিয়ে | সুতরাং আপনাকে অবশ্যই চিন্তা করতে হবে ছোট্ট মেয়েদের জামা  আপনার কোন ধরনের কাস্টমার কিনতে পারে | এই ক্ষেত্রে আপনি যদি ক্যাম্পেইন করার সময় বয়স দিয়ে রাখেন 16 থেকে 20 বছর তাহলে সেটা আপনার ভুল ক্যাম্পেইন হচ্ছে কারণ সাধারণত ছোট মেয়েদের জামা কাপড় তার বাবা-মা বেশি কিনে|

 

 আবার অনেকে চিন্তা করতে পারেন যে ছোট্ট মেয়েদের জামা কাপড় অনেক বয়স্করাও কিনতে পারে অনলাইন থেকে | হ্যাঁ অবশ্যই কিনতে পারে কিন্তু সেটা আপনাকে অবশ্যই চিন্তা করতে হবে যে সাধারণত মানুষ 45 অথবা 50 অথবা 60 বছরের উপরে যারা থাকে তারা ফেসবুকে অতটাও স্বাচ্ছন্দ্যবোধ ভাবে চালাতে পারে না | সুতরাং এই ক্ষেত্রে আপনার অবশ্যই বয়সের লিমিট অথবা 25 থেকে 40  অথবা 45  হওয়াটা ভালো |

 

 ছোট ছোট বিষয় গুলো আপনাকে অনেক ভালোভাবে চিন্তা করতে হবে এবং ক্যাম্পেইন তৈরি করার আগে আপনাকে ভাবতে হবে যে আপনি আপনার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান অথবা আপনার ক্লায়েন্টের প্রতিষ্ঠান তাদের মাঝে তুলে ধরতে চাচ্ছেন |

 

 ক্যাম্পেইন করার পরে ভালোভাবে রেসপন্স না পেলে পরবর্তীতে আপনি ওই ক্লায়েন্টের আরো অন্য কাজগুলো হারাতে পারেন | 

 

ফেসবুক মার্কেটিং শুরু করার আগে আমরা সবাই একটা ভুল ধারণার মধ্যে থাকে যে আমরা নিজেদের মাস্টারকার্ড অথবা ভিসা কার্ড ছাড়া মার্কেটিং করতে পারবোনা | আসলে বিষয়টা তেমন না বিষয়টা হচ্ছে আপনি যদি কোন ক্লায়েন্টের বা বাইরের কাজ করেন সেক্ষেত্রে আপনার মাস্টার কার্ড এবং ভিসা কার্ড সবকিছু আপনার বায়ার অথবা ক্লায়েন্ট প্রোভাইড করবে | সুতরাং এই ক্ষেত্রে আপনি ফেসবুকে কিভাবে পেমেন্ট দিবেন এটা নিয়ে আপনার বিন্দুমাত্র মাথাব্যথা কোন কারণ নেই | আপনাকে শুধুমাত্র মাথা খাটাতে হবে যে আপনার ক্লায়েন্ট কি ধরনের প্রোডাক্ট তাদের মাঝে বিতরণ করতে চাই এবং তাদের মাঝে তার  বিক্রি বাড়াতে চাই |

Video Tutorial

 

 যখন ফেসবুক এডভান্স মার্কেটিং এর কাজ করবেন আপনি অবশ্যই দেখে নিবেন যে তার পেজে কোন ধরনের ফেসবুকের চ্যাট বট অথবা এডভান্স মেসেজিং সিস্টেম টা চালু করা আছে কিনা? যদি দেখেন আছে তাহলে ভালো আর যদি দেখেন যে চ্যাট বট চালু করা নাই সে ক্ষেত্রে আপনি তাকে চ্যাটবট এ কাজটা বোঝাবেন এবং আপনি তাকে চ্যাটবট টা তৈরি করে দেবেন বিনিময় আপনি তার থেকে এক্সট্রা পেমেন্ট রাখবেন|

 

 এমন অনেক ধরনের কাজ আছে আপনি ক্লায়েন্টকে শুধুমাত্র বোঝানোর মাধ্যমে একটা কাজ থেকে একাধিক কাজ তৈরি করে ফেলতে পারেন এবং ক্লায়েন্ট যখন দেখবে আপনি কাজে এক্সপার্ট তিনি আপনাকে আরো বেশি বেশি কাজ প্রোভাইড করবে এবং আপনার রেটিং রিভিউ সবকিছুই তিনি বাড়িয়ে দেবে |

 

 আশাকরি পোষ্টের মাধ্যমে আপনি জানতে পেরেছেন যে কিভাবে অ্যাডভান্স ফেসবুক মার্কেটিং(Facebook Marketing ) এর কাজ গুলো আমরা সম্পন্ন করতে পারি এবং কি ধরনের সাবধানতা অবলম্বন আমাদেরকে করতে হবে যদি আমরা একাধিক কাজ একই ক্লায়েন্টের কাছ থেকে পেতে চাই | আপনাকে অবশ্যই ক্লায়েন্টের সাথে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করার পরেই আপনি তার সকল কাজ সম্পন্ন করবেন কারণ অনেক ক্লায়েন্ট আছে এগুলা জানে কিন্তু পারে না আবার অনেক ক্লায়েন্ট আছে সময়ের অভাবে করে না | আশাকরি পোষ্টটির মাধ্যমে আপনি উপকৃত  হয়েছেন 

 

How To Earn Money From Facebook Marketing upadated system in 2020

ফেসবুক অ্যাডভান্স মার্কেটিং(Facebook Marketing)

 

 আমরা হয়তো অনেকেই ভাবি ফেসবুকে শুধুমাত্র পেজ তৈরি করা, পোস্ট তৈরি করা, পেজ প্রমোট করা, পেজে লাইট নিয়ে আসা, পোস্ট বুস্ট করা ইত্যাদি যে কাজগুলো করে থাকি এটাই ফেসবুক মার্কেটিং(Facebook Marketing) | 

 

ফেসবুক মার্কেটিং সেক্টর টা আসলে অনেক বিস্তৃত এবং অনেকেই এটার সুফল জানেনা | আপনি চাইলেই নিজের মতো করে নিজের ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান অথবা অন্যের ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানকে ফেসবুক এডভান্স মার্কেটিং এর মাধ্যমে অন্যের সামনে তুলে ধরতে পারেন | আমরা এই পোস্টে আলোচনা করব কিভাবে ফেসবুক এডভান্স মার্কেটিং আমরা করতে পারি এবং আমাদের কি কি লাগবে | 

 

ফেসবুক বিজনেস একাউন্ট  ফর অ্যাডভান্স ফেসবুক মার্কেটিং

 

 আপনাকে ফেসবুকে এডভান্স মার্কেটিং করতে হলে অবশ্যই একটি ফেসবুকের বিজনেস একাউন্ট থাকা লাগবে এবং আপনি এই ক্ষেত্রে একাধিক ফেসবুক বিজনেস একাউন্ট তৈরি করতে পারেন |

 কারণ অনেক সময় দেখা যায় যে আমাদের কোন একটা সমস্যার কারণে ফেসবুকের অ্যাকাউন্টটা নষ্ট হয়ে যেতে পারে অথবা ফেসবুকের এডভান্স মার্কেটিংয়ের জন্য বিজনেস অ্যাকাউন্ট টা নষ্ট হয়ে যেতে পারে | সে ক্ষেত্রে আপনি অবশ্যই একাধিক ফেসবুক অ্যাকাউন্ট অথবা অ্যাডভান্স ফেসবুক মার্কেটিং এর জন্য ফেসবুকের বিজনেস একাউন্ট তৈরি করতে পারেন |

 

 কি কি কাজ করতে পারবেন এবং কিভাবে 

 

 ফেসবুকে এডভান্স মার্কেটিং Facebook Marketing এর একটি অন্যতম হচ্ছে ফেসবুকের  জন্য পিক্সেল তৈরি করা | 

পিক্সেল এ কাজ করার জন্য আপনাকে অবশ্যই একটি ওয়েবসাইট থাকা বাধ্যতামূলক কারণ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনি বিজ্ঞপ্তি ভেরিফাইড করতে পারবেন |

Facebook Marketing

 

সেই ক্ষেত্রে যদি আপনি নিজের ফেসবুক পেজ পিক্সেল এর মাধ্যমে ভেরিফাইড করতে চান সেক্ষেত্রে আপনার নিজস্ব ওয়েবসাইটে দরকার হবে আর যদি আপনি আপনার ক্লায়েন্ট অথবা বাইরের কাজ করেন সেক্ষেত্রে বায়ার আপনাকে তার ওয়েবসাইটে যাবতীয় তথ্যাদি আপনাকে দিবে | সুতরাং ওয়েবসাইট নিয়ে চিন্তা করাটা খুব একটা বেশি জরুরী না কারণ কাজটি পারলে আপনি ক্লায়েন্টের কাছ থেকে ওয়েবসাইটটি নিয়েও কাজটি করতে |

 

 অ্যাডভান্স ফেসবুক মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে আপনাকে বিশেষ কিছু দিকে খেয়াল রাখতে হবে এবং ধারণা থাকতে হবে | এখানে আপনি একাধিক পেজ অ্যাড করতে পারবেন কিন্তু ফ্রিতে কোন ধরনের কোন পোস্ট করতে পারবেন না | অ্যাডভান্স ফেসবুক মার্কেটিং পলিসিটা টোটাল পেইড মার্কেটিং |

 

 যারা বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে ফেসবুকের মাধ্যমে অথবা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে থাকেন তাদের জন্য ফেসবুক  পেইড মার্কেটিং সবচাইতে নির্ভরযোগ্য একটি মাধ্যম |

 

 ফাইবার মার্কেটপ্লেস অ্যাডভান্স ফেসবুক মার্কেটিং এর কাজ পাওয়া কারণ আমরা মূলত কাজ করে থাকি বাইরের দেশের বিশেষ বিশেষ করে আমেরিকা অথবা কানাডা ইউকে এসব দেশকে নিয়ে এবং তারা মূলত ফ্রি মার্কেটিং থেকে পেইড মার্কেটিং এ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে |

 ফ্রি মার্কেটিং এবং মার্কেটিং Facebook Marketing এর আপনি খুব সহজেই বুঝতে পারবেন | ফেসবুক কর্তৃপক্ষ কখনই আপনাকে ফ্রিতে কিন্তু ফেসবুক চালাতে দিচ্ছে না কারণ আপনি ফেসবুক চালাতে হলে আপনাকে অবশ্যই মেগাবাইট খরচ করতে হচ্ছে এবং এক্ষেত্রে ফেসবুক কোম্পানি আপনার কাছ থেকে টাকা নিচ্ছে| সুতরাং একটা জিনিস মনে রাখবেন পৃথিবীতে সকল কাজের পেছনেই কোন না কোন উদ্দেশ্য থাকে এবং ফেসবুক কোম্পানির একটি উদ্দেশ্য হচ্ছে এখান থেকে অর্থাৎ আমাদের মত ফেসবুক ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া |

 

 ফ্রি মার্কেটিং এ আপনি প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে কিন্তু পেইড মার্কেটিং অ্যাডভান্স ফেসবুক মার্কেটিং এ আপনাকে কোন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে না কারণ আপনি ফেসবুকে টাকা দিয়ে আপনার প্রোডাক্ট অথবা আপনার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান প্রচার করছে এবং প্রচারের দায়িত্ব নিচ্ছে স্বয়ং ফেসবুক কোম্পানি নিজে | সুতরাং এ থেকে বুঝতেই পারছেন যে ফেসবুকে পেইড মার্কেটিং এ কতটা ভালোভাবে ফল পাওয়া যায় |

 

এডভান্স ফেসবুক মার্কেটিং( Facebook Marketing )এ আপনাকে কিছু জিনিস বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে এবং সেটা হচ্ছে আপনার টার্গেটেড কাস্টমার |আপনি যদি আপনার ক্লায়েন্ট বা বায়ারের কাজ করে থাকেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই ক্লায়েন্টের কোম্পানি সম্পর্কে এবং প্রোডাক্ট সম্পর্কে ভালো ধরনের ধারণা নিয়ে ক্যাম্পেইন টা শুরু করতে হবে | আপনি যদি এই ক্ষেত্রে ভালোভাবে তাকে সার্ভিস টা দিতে পারেন তাহলে পরবর্তীতে ওই বায়ার আপনাকে দিয়ে অনেক কাজ করিয়ে নেবে এইটা আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন | সুতরাং আপনাকে চিন্তা করতে হবে আপনার ক্লায়েন্টের কাস্টমার কারা |

 

 উদাহরণস্বরূপ আমি বলতে পারি আপনি একটা ছোট্ট মেয়েদের জামা বিক্রি করবেন অথবা আপনার ক্লায়েন্ট আপনাকে বলল একটা পেইড ক্যাম্পেইন করে দিতে এবং তার পেজটা হচ্ছে ছোট মেয়েদের জামা নিয়ে | সুতরাং আপনাকে অবশ্যই চিন্তা করতে হবে ছোট্ট মেয়েদের জামা  আপনার কোন ধরনের কাস্টমার কিনতে পারে | এই ক্ষেত্রে আপনি যদি ক্যাম্পেইন করার সময় বয়স দিয়ে রাখেন 16 থেকে 20 বছর তাহলে সেটা আপনার ভুল ক্যাম্পেইন হচ্ছে কারণ সাধারণত ছোট মেয়েদের জামা কাপড় তার বাবা-মা বেশি কিনে|

 

 আবার অনেকে চিন্তা করতে পারেন যে ছোট্ট মেয়েদের জামা কাপড় অনেক বয়স্করাও কিনতে পারে অনলাইন থেকে | হ্যাঁ অবশ্যই কিনতে পারে কিন্তু সেটা আপনাকে অবশ্যই চিন্তা করতে হবে যে সাধারণত মানুষ 45 অথবা 50 অথবা 60 বছরের উপরে যারা থাকে তারা ফেসবুকে অতটাও স্বাচ্ছন্দ্যবোধ ভাবে চালাতে পারে না | সুতরাং এই ক্ষেত্রে আপনার অবশ্যই বয়সের লিমিট অথবা 25 থেকে 40  অথবা 45  হওয়াটা ভালো |

 

 ছোট ছোট বিষয় গুলো আপনাকে অনেক ভালোভাবে চিন্তা করতে হবে এবং ক্যাম্পেইন তৈরি করার আগে আপনাকে ভাবতে হবে যে আপনি আপনার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান অথবা আপনার ক্লায়েন্টের প্রতিষ্ঠান তাদের মাঝে তুলে ধরতে চাচ্ছেন |

 

 ক্যাম্পেইন করার পরে ভালোভাবে রেসপন্স না পেলে পরবর্তীতে আপনি ওই ক্লায়েন্টের আরো অন্য কাজগুলো হারাতে পারেন | 

 

ফেসবুক মার্কেটিং শুরু করার আগে আমরা সবাই একটা ভুল ধারণার মধ্যে থাকে যে আমরা নিজেদের মাস্টারকার্ড অথবা ভিসা কার্ড ছাড়া মার্কেটিং করতে পারবোনা | আসলে বিষয়টা তেমন না বিষয়টা হচ্ছে আপনি যদি কোন ক্লায়েন্টের বা বাইরের কাজ করেন সেক্ষেত্রে আপনার মাস্টার কার্ড এবং ভিসা কার্ড সবকিছু আপনার বায়ার অথবা ক্লায়েন্ট প্রোভাইড করবে | সুতরাং এই ক্ষেত্রে আপনি ফেসবুকে কিভাবে পেমেন্ট দিবেন এটা নিয়ে আপনার বিন্দুমাত্র মাথাব্যথা কোন কারণ নেই | আপনাকে শুধুমাত্র মাথা খাটাতে হবে যে আপনার ক্লায়েন্ট কি ধরনের প্রোডাক্ট তাদের মাঝে বিতরণ করতে চাই এবং তাদের মাঝে তার  বিক্রি বাড়াতে চাই |

Video Tutorial

 

 যখন ফেসবুক এডভান্স মার্কেটিং এর কাজ করবেন আপনি অবশ্যই দেখে নিবেন যে তার পেজে কোন ধরনের ফেসবুকের চ্যাট বট অথবা এডভান্স মেসেজিং সিস্টেম টা চালু করা আছে কিনা? যদি দেখেন আছে তাহলে ভালো আর যদি দেখেন যে চ্যাট বট চালু করা নাই সে ক্ষেত্রে আপনি তাকে চ্যাটবট এ কাজটা বোঝাবেন এবং আপনি তাকে চ্যাটবট টা তৈরি করে দেবেন বিনিময় আপনি তার থেকে এক্সট্রা পেমেন্ট রাখবেন|

 

 এমন অনেক ধরনের কাজ আছে আপনি ক্লায়েন্টকে শুধুমাত্র বোঝানোর মাধ্যমে একটা কাজ থেকে একাধিক কাজ তৈরি করে ফেলতে পারেন এবং ক্লায়েন্ট যখন দেখবে আপনি কাজে এক্সপার্ট তিনি আপনাকে আরো বেশি বেশি কাজ প্রোভাইড করবে এবং আপনার রেটিং রিভিউ সবকিছুই তিনি বাড়িয়ে দেবে |

 

 আশাকরি পোষ্টের মাধ্যমে আপনি জানতে পেরেছেন যে কিভাবে অ্যাডভান্স ফেসবুক মার্কেটিং এর কাজ গুলো আমরা সম্পন্ন করতে পারি এবং কি ধরনের সাবধানতা অবলম্বন আমাদেরকে করতে হবে যদি আমরা একাধিক কাজ একই ক্লায়েন্টের কাছ থেকে পেতে চাই | আপনাকে অবশ্যই ক্লায়েন্টের সাথে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করার পরেই আপনি তার সকল কাজ সম্পন্ন করবেন কারণ অনেক ক্লায়েন্ট আছে এগুলা জানে কিন্তু পারে না আবার অনেক ক্লায়েন্ট আছে সময়ের অভাবে করে না | আশাকরি পোষ্টটির মাধ্যমে আপনি উপকৃত  হয়েছেন 

 

How To Earn Money From Facebook Marketing upadated system in 2020

ফেসবুক অ্যাডভান্স মার্কেটিং

 

 আমরা হয়তো অনেকেই ভাবি ফেসবুকে শুধুমাত্র পেজ তৈরি করা, পোস্ট তৈরি করা, পেজ প্রমোট করা, পেজে লাইট নিয়ে আসা, পোস্ট বুস্ট করা ইত্যাদি যে কাজগুলো করে থাকি এটাই ফেসবুক মার্কেটিং | 

 

ফেসবুক মার্কেটিং সেক্টর টা আসলে অনেক বিস্তৃত এবং অনেকেই এটার সুফল জানেনা | আপনি চাইলেই নিজের মতো করে নিজের ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান অথবা অন্যের ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানকে ফেসবুক এডভান্স মার্কেটিং এর মাধ্যমে অন্যের সামনে তুলে ধরতে পারেন | আমরা এই পোস্টে আলোচনা করব কিভাবে ফেসবুক এডভান্স মার্কেটিং আমরা করতে পারি এবং আমাদের কি কি লাগবে | 

 

ফেসবুক বিজনেস একাউন্ট  ফর অ্যাডভান্স ফেসবুক মার্কেটিং

 

 আপনাকে ফেসবুকে এডভান্স মার্কেটিং করতে হলে অবশ্যই একটি ফেসবুকের বিজনেস একাউন্ট থাকা লাগবে এবং আপনি এই ক্ষেত্রে একাধিক ফেসবুক বিজনেস একাউন্ট তৈরি করতে পারেন |

 কারণ অনেক সময় দেখা যায় যে আমাদের কোন একটা সমস্যার কারণে ফেসবুকের অ্যাকাউন্টটা নষ্ট হয়ে যেতে পারে অথবা ফেসবুকের এডভান্স মার্কেটিংয়ের জন্য বিজনেস অ্যাকাউন্ট টা নষ্ট হয়ে যেতে পারে | সে ক্ষেত্রে আপনি অবশ্যই একাধিক ফেসবুক অ্যাকাউন্ট অথবা অ্যাডভান্স ফেসবুক মার্কেটিং এর জন্য ফেসবুকের বিজনেস একাউন্ট তৈরি করতে পারেন |

 

 কি কি কাজ করতে পারবেন এবং কিভাবে 

 

 ফেসবুকে এডভান্স মার্কেটিং এর একটি অন্যতম হচ্ছে ফেসবুকের  জন্য পিক্সেল তৈরি করা | 

পিক্সেল এ কাজ করার জন্য আপনাকে অবশ্যই একটি ওয়েবসাইট থাকা বাধ্যতামূলক কারণ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনি বিজ্ঞপ্তি ভেরিফাইড করতে পারবেন |

 

সেই ক্ষেত্রে যদি আপনি নিজের ফেসবুক পেজ পিক্সেল এর মাধ্যমে ভেরিফাইড করতে চান সেক্ষেত্রে আপনার নিজস্ব ওয়েবসাইটে দরকার হবে আর যদি আপনি আপনার ক্লায়েন্ট অথবা বাইরের কাজ করেন সেক্ষেত্রে বায়ার আপনাকে তার ওয়েবসাইটে যাবতীয় তথ্যাদি আপনাকে দিবে | সুতরাং ওয়েবসাইট নিয়ে চিন্তা করাটা খুব একটা বেশি জরুরী না কারণ কাজটি পারলে আপনি ক্লায়েন্টের কাছ থেকে ওয়েবসাইটটি নিয়েও কাজটি করতে |

 

 অ্যাডভান্স ফেসবুক মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে আপনাকে বিশেষ কিছু দিকে খেয়াল রাখতে হবে এবং ধারণা থাকতে হবে | এখানে আপনি একাধিক পেজ অ্যাড করতে পারবেন কিন্তু ফ্রিতে কোন ধরনের কোন পোস্ট করতে পারবেন না | অ্যাডভান্স ফেসবুক মার্কেটিং পলিসিটা টোটাল পেইড মার্কেটিং |

 

 যারা বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে ফেসবুকের মাধ্যমে অথবা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে থাকেন তাদের জন্য ফেসবুক  পেইড মার্কেটিং সবচাইতে নির্ভরযোগ্য একটি মাধ্যম |

 

 ফাইবার মার্কেটপ্লেস অ্যাডভান্স ফেসবুক মার্কেটিং এর কাজ পাওয়া কারণ আমরা মূলত কাজ করে থাকি বাইরের দেশের বিশেষ বিশেষ করে আমেরিকা অথবা কানাডা ইউকে এসব দেশকে নিয়ে এবং তারা মূলত ফ্রি মার্কেটিং থেকে পেইড মার্কেটিং এ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে |

 ফ্রি মার্কেটিং এবং মার্কেটিং এর আপনি খুব সহজেই বুঝতে পারবেন | ফেসবুক কর্তৃপক্ষ কখনই আপনাকে ফ্রিতে কিন্তু ফেসবুক চালাতে দিচ্ছে না কারণ আপনি ফেসবুক চালাতে হলে আপনাকে অবশ্যই মেগাবাইট খরচ করতে হচ্ছে এবং এক্ষেত্রে ফেসবুক কোম্পানি আপনার কাছ থেকে টাকা নিচ্ছে| সুতরাং একটা জিনিস মনে রাখবেন পৃথিবীতে সকল কাজের পেছনেই কোন না কোন উদ্দেশ্য থাকে এবং ফেসবুক কোম্পানির একটি উদ্দেশ্য হচ্ছে এখান থেকে অর্থাৎ আমাদের মত ফেসবুক ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া |

 

 ফ্রি মার্কেটিং এ আপনি প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে কিন্তু পেইড মার্কেটিং অ্যাডভান্স ফেসবুক মার্কেটিং এ আপনাকে কোন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে না কারণ আপনি ফেসবুকে টাকা দিয়ে আপনার প্রোডাক্ট অথবা আপনার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান প্রচার করছে এবং প্রচারের দায়িত্ব নিচ্ছে স্বয়ং ফেসবুক কোম্পানি নিজে | সুতরাং এ থেকে বুঝতেই পারছেন যে ফেসবুকে পেইড মার্কেটিং এ কতটা ভালোভাবে ফল পাওয়া যায় |

 

এডভান্স ফেসবুক মার্কেটিং এ আপনাকে কিছু জিনিস বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে এবং সেটা হচ্ছে আপনার টার্গেটেড কাস্টমার |আপনি যদি আপনার ক্লায়েন্ট বা বায়ারের কাজ করে থাকেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই ক্লায়েন্টের কোম্পানি সম্পর্কে এবং প্রোডাক্ট সম্পর্কে ভালো ধরনের ধারণা নিয়ে ক্যাম্পেইন টা শুরু করতে হবে | আপনি যদি এই ক্ষেত্রে ভালোভাবে তাকে সার্ভিস টা দিতে পারেন তাহলে পরবর্তীতে ওই বায়ার আপনাকে দিয়ে অনেক কাজ করিয়ে নেবে এইটা আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন | সুতরাং আপনাকে চিন্তা করতে হবে আপনার ক্লায়েন্টের কাস্টমার কারা |

 

 উদাহরণস্বরূপ আমি বলতে পারি আপনি একটা ছোট্ট মেয়েদের জামা বিক্রি করবেন অথবা আপনার ক্লায়েন্ট আপনাকে বলল একটা পেইড ক্যাম্পেইন করে দিতে এবং তার পেজটা হচ্ছে ছোট মেয়েদের জামা নিয়ে | সুতরাং আপনাকে অবশ্যই চিন্তা করতে হবে ছোট্ট মেয়েদের জামা  আপনার কোন ধরনের কাস্টমার কিনতে পারে | এই ক্ষেত্রে আপনি যদি ক্যাম্পেইন করার সময় বয়স দিয়ে রাখেন 16 থেকে 20 বছর তাহলে সেটা আপনার ভুল ক্যাম্পেইন হচ্ছে কারণ সাধারণত ছোট মেয়েদের জামা কাপড় তার বাবা-মা বেশি কিনে|

 

 আবার অনেকে চিন্তা করতে পারেন যে ছোট্ট মেয়েদের জামা কাপড় অনেক বয়স্করাও কিনতে পারে অনলাইন থেকে | হ্যাঁ অবশ্যই কিনতে পারে কিন্তু সেটা আপনাকে অবশ্যই চিন্তা করতে হবে যে সাধারণত মানুষ 45 অথবা 50 অথবা 60 বছরের উপরে যারা থাকে তারা ফেসবুকে অতটাও স্বাচ্ছন্দ্যবোধ ভাবে চালাতে পারে না | সুতরাং এই ক্ষেত্রে আপনার অবশ্যই বয়সের লিমিট অথবা 25 থেকে 40  অথবা 45  হওয়াটা ভালো |

 

 ছোট ছোট বিষয় গুলো আপনাকে অনেক ভালোভাবে চিন্তা করতে হবে এবং ক্যাম্পেইন তৈরি করার আগে আপনাকে ভাবতে হবে যে আপনি আপনার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান অথবা আপনার ক্লায়েন্টের প্রতিষ্ঠান তাদের মাঝে তুলে ধরতে চাচ্ছেন |

 

 ক্যাম্পেইন করার পরে ভালোভাবে রেসপন্স না পেলে পরবর্তীতে আপনি ওই ক্লায়েন্টের আরো অন্য কাজগুলো হারাতে পারেন | 

 

ফেসবুক মার্কেটিং শুরু করার আগে আমরা সবাই একটা ভুল ধারণার মধ্যে থাকে যে আমরা নিজেদের মাস্টারকার্ড অথবা ভিসা কার্ড ছাড়া মার্কেটিং করতে পারবোনা | আসলে বিষয়টা তেমন না বিষয়টা হচ্ছে আপনি যদি কোন ক্লায়েন্টের বা বাইরের কাজ করেন সেক্ষেত্রে আপনার মাস্টার কার্ড এবং ভিসা কার্ড সবকিছু আপনার বায়ার অথবা ক্লায়েন্ট প্রোভাইড করবে | সুতরাং এই ক্ষেত্রে আপনি ফেসবুকে কিভাবে পেমেন্ট দিবেন এটা নিয়ে আপনার বিন্দুমাত্র মাথাব্যথা কোন কারণ নেই | আপনাকে শুধুমাত্র মাথা খাটাতে হবে যে আপনার ক্লায়েন্ট কি ধরনের প্রোডাক্ট তাদের মাঝে বিতরণ করতে চাই এবং তাদের মাঝে তার  বিক্রি বাড়াতে চাই |

 

 যখন ফেসবুক এডভান্স মার্কেটিং এর কাজ করবেন আপনি অবশ্যই দেখে নিবেন যে তার পেজে কোন ধরনের ফেসবুকের চ্যাট বট অথবা এডভান্স মেসেজিং সিস্টেম টা চালু করা আছে কিনা? যদি দেখেন আছে তাহলে ভালো আর যদি দেখেন যে চ্যাট বট চালু করা নাই সে ক্ষেত্রে আপনি তাকে চ্যাটবট এ কাজটা বোঝাবেন এবং আপনি তাকে চ্যাটবট টা তৈরি করে দেবেন বিনিময় আপনি তার থেকে এক্সট্রা পেমেন্ট রাখবেন|

 

 এমন অনেক ধরনের কাজ আছে আপনি ক্লায়েন্টকে শুধুমাত্র বোঝানোর মাধ্যমে একটা কাজ থেকে একাধিক কাজ তৈরি করে ফেলতে পারেন এবং ক্লায়েন্ট যখন দেখবে আপনি কাজে এক্সপার্ট তিনি আপনাকে আরো বেশি বেশি কাজ প্রোভাইড করবে এবং আপনার রেটিং রিভিউ সবকিছুই তিনি বাড়িয়ে দেবে |

 

 আশাকরি পোষ্টের মাধ্যমে আপনি জানতে পেরেছেন যে কিভাবে অ্যাডভান্স ফেসবুক মার্কেটিং এর কাজ গুলো আমরা সম্পন্ন করতে পারি এবং কি ধরনের সাবধানতা অবলম্বন আমাদেরকে করতে হবে যদি আমরা একাধিক কাজ একই ক্লায়েন্টের কাছ থেকে পেতে চাই | আপনাকে অবশ্যই ক্লায়েন্টের সাথে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করার পরেই আপনি তার সকল কাজ সম্পন্ন করবেন কারণ অনেক ক্লায়েন্ট আছে এগুলা জানে কিন্তু পারে না আবার অনেক ক্লায়েন্ট আছে সময়ের অভাবে করে না | আশাকরি পোষ্টটির মাধ্যমে আপনি উপকৃত  হয়েছেন 

 

Video Tutorial

কিভাবে ফেসবুক থেকে ইনকাম করবেন

ফেসবুক থেকে ইনকাম 

 

আমরা হয়তো অনেকেই জানি যে ফেসবুক থেকে আপনি চাইলেই কিনতাম করতে পারেন তবে সে ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই আগে কাজটিকে ভালোভাবে রপ্ত করতে হবে| তা না হলে আপনি সঠিকভাবে ইনকাম করতে ব্যর্থ হবেন| আমরা ধারাবাহিক ভাবে চেষ্টা করব কিভাবে ফেসবুক থেকে ইনকাম তার পূর্ণাঙ্গ একটি গাইডলাইন আপনাদের সামনে তুলে ধরার| প্রত্যেকটা ধাপ আমরা  দেখানোর চেষ্টা করব|

 

নিস  কি?

 

 সহজ ভাষায় নিস হচ্ছে আপনি কোন বিষয়টা বা কোন প্রোডাক্টটা নিয়ে কাজ করতে চাচ্ছেন| তার জন্য অবশ্যই আপনাকে কিওয়ার্ড রিসার্চ করে নিতে হবে যে আপনি কোন নিজবা বিষয়টি নিয়ে কাজ করতে চাচ্ছেন| সে ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার নিজের বা প্রোডাক্টের সার্চ ভলিউম ভালো থাকতে হবে| 

 

কিভাবে ফেসবুকে পেজ  খুলবেন?

 

 প্রথমে আপনাকে আপনার ফেসবুকের নিজস্ব আইডিতে লগইন করার পর আপনাকে ম্যানেজ পেজ অপশন থেকে ক্রিয়েট এ নিউ  পেজ এ ক্লিক করে আপনাকে একটি ফেসবুক পেজ খুলতে হবে

Facebook Marketing

Facebook Marketing

ফেসবুকে আপনি দুই ধরনের পেজ তৈরি করার অপশন দেখতে পাবেন |তাদের মধ্যে একটি হচ্ছে বিজনেস অথবা ব্র্যান্ড এবং অন্যটি হচ্ছে কমিউনিটি অথবা পাবলিক ফিগার| কোন ধরনের ব্যবসার জন্য আপনি বিজনেস পেজটি ব্যবহার করতে পারেন এবং আপনি প্রতিদিন কি করছেন না করছেন অথবা ফ্রিল্যান্সিং কি কি কাজ পারেন সেইগুলা প্রকাশ করার জন্য আপনি কমিউনিটি অর পাবলিক ফিগার অপশনটি ব্যবহার করতে পারেন| 

Facebook Marketing

 

ফেসবুক পেজ কেন ব্যবহার করবেন?

 

 আপনি যদি  সুদুরপ্রসারি ব্যবসা করতে চান সেই ক্ষেত্রে আপনার অবশ্যই একটি ফেসবুক পেজ থাকা আবশ্যক| কেননা বর্তমানে ফেসবুক এর মাধ্যমে অনেক ধরনের ব্যবসা চালু হয়েছে এবং প্রতিনিয়ত এর প্রসার বেড়েই চলেছে |

 

বর্তমানে সারা বিশ্বে ডিজিটালাইজেশনের হয়ে যাচ্ছে |সেই ক্ষেত্রে আপনি যদি যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে না পারেন আপনি দিন দিন পিছিয়ে পড়বেন এবং আপনার ব্যবসার প্রসার ঘটাতে ব্যর্থ হবেন| তাই ব্যবসার প্রসার বৃদ্ধির সাথে সাথে আপনি আপনার ব্যবসাটিকে একটি ব্র্যান্ডে পরিণত করতে পারেন শুধুমাত্র একটি ফেসবুক পেজের মাধ্যমে |

 

ফেসবুক থেকে ইনকাম-কিভাবে কাজ করবেন?

অবশ্যই ফেসবুক পেজ তৈরি করার পরে সেখানে আপনাকে প্রোফাইল পিকচার এবং কাভার পিকচার দিতে হবে| এই ক্ষেত্রে আপনি যদি গ্রাফিক্স ডিজাইনার না হন আপনি ক্যানভা ওয়েবসাইটটি ব্যবহার করতে পারেন| সে ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে ক্যানভা ওয়েব সাইটে একটি অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে যেটা শুধুমাত্র আপনি ইমেইল দিয়ে অথবা ফেসবুকের মাধ্যমে তৈরি করতে পারেন| এখানেও আপনি আপনার নিজের মত করে একটি সুন্দর কভার পিকচার অথবা প্রোফাইল পিকচার তৈরি করতে সক্ষম হবেন| 

Video Tutorial

 

তারপর আপনাকে সেটিংস থেকে প্রয়োজনীয় কাজগুলো সম্পন্ন করতে হবে যেখানে আপনি পাবেন বিভিন্ন ধরনের পেজ পাবলিশ, পেজ রুল, মেসেঞ্জার সেটিংস, মেসেজের চ্যাট তৈরি করা, টেমপ্লেট তৈরি করা, পেজ মুছে ফেলা সহ বিভিন্ন ধরনের  কাজগুলো আপনাকে শেষ করতে হবে|

.পোস্ট করার জন্য বিভিন্ন বিষয়বস্তুর জন্য বিভাগের সময়

 

এখানে কৌশলটি হ’ল দিনব্যাপী বিভিন্ন ধরণের সামগ্রী পোস্ট করা  সেটি হতে পারে আপনার ব্যবসায়িক বিষয়ে অথবা হতে পারে আপনার নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে কিছু বা পুরাতন অভিজ্ঞতা নিয়ে কিছু 

 

তারপরে কোন সময়ে কী কাজ করে তা নোট করুন। 

 

উদাহরণস্বরূপ, সকালে একটি নিউজ লিঙ্ক পোস্ট করুন যাতে আপনার ভক্তরা বিশ্বের কী ঘটছে তা ধরতে পারে এবং সবসময়ই একই ধরনের নিউজ লিংক পোস্ট করবেন না কারণ এতে আপনার কাস্টমার অথবা ভিউয়ার্স কমে  যেতে পারে

 

তারপরে বিকেলে আরও হালকা-হৃদয়যুক্ত কিছু প্রকাশ করুন – মেম, মজাদার প্রশ্ন বা উক্তিটির মতো এবং তাদের কেউ পারলে কল এর মাধ্যমে বিভিন্ন ভাবে উত্তর দেওয়ার সুযোগ করে দিন 

 

তারপরে পরের দিন বিপরীত করুন এবং ফলাফলগুলি তুলনা করুন।

Facebook Marketing

 উপসংহার

 

 পরিশেষে বলতে পারি যে আশা করি আপনি এই পোস্ট থেকে কিছুটা হলেও উপকৃত হয়েছেন এবং পরবর্তী পোস্টে আমরা আরো নতুন কিছু তুলে ধরার চেষ্টা করব ধন্যবাদ সাথেই থাকবেন|